পূজামণ্ডপে ঢুকে আইনি বিপাকে সৃজিত-মিথিলা

0
176

নিউ নরমাল সময়কে বিবেচনা করে ভারতের পূজামণ্ডপে সর্বসাধারণের প্রবেশের ক্ষেত্রে ‘নো এন্ট্রি জোন’ নিয়ম চালু করেছে দেশটির আদালত। অর্থাৎ, ক্লাবের সদস্য বা এলাকার বাসিন্দা না হলে বাইরের যে কেউ চাইলেই স্থানীয় মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন না।

পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ আদালত থেকে এই নির্দেশনা এসেছে।

সেই ‘নো এন্ট্রি জোন’-এ প্রবেশের দায়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে দুই বাংলার আলোচিত দম্পতি সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার বিরুদ্ধে। এতে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন তারা।

একই দায়ে অভিযুক্ত কলকাতার আরেক অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান ও তার স্বামী নিখিল জৈন।

বাংলাদেশি অভিনেত্রী স্ত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলাকে নিয়ে ২৪ অক্টোবর পূজামণ্ডপে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

এদিন স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ কলকাতার সুরুচি সংঘের পূজামণ্ডপে মহাষ্টমীর অঞ্জলিও দেন তারা। মণ্ডপে তাদের ঢাকের তালে নাচতেও দেখা যায়। আর এতেই আইনি জটিলতায় পড়তে যাচ্ছেন সৃজিত-মিথিলা ও নুসরাত।

জানা গেছে, পূজামণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’-র নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে যেসব তারকা ক্লাব সদস্য না হয়েও অষ্টমীর সকালে মণ্ডপে প্রবেশ করে অঞ্জলি দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে এবার আইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছেন মামলাকারী অজয় কুমার দে’র আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়।

আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ সকলের মেনে চলা উচিত। তাছাড়া কেউ যদি তারকা বা জনপ্রতিনিধি হন, নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে তার দায়িত্বটা আরও বেড়ে যায়। আমরা সবটাই নজরে রাখছি। যারাই নির্দেশ অমান্য করবেন, তাদের ক্ষেত্রেই আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’

সৃজিত-মিথিলার কোনও মন্তব্য পাওয়া না গেলেও নুসরাতের পক্ষ থেকে তার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নুসরাত তিন বছর আগে থেকেই সুরুচি সংঘের সদস্য। সেক্ষেত্রে তিনি সেখানে অঞ্জলি দিতে গিয়ে কিছু ভুল করেননি। এক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘিত হয়নি।

নুসরাতের মতোই পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ও সুরুচি সংঘের সদস্য বলে জানা গেছে। তবে প্রশ্ন উঠছে নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈন ও সৃজিতের স্ত্রী মিথিলাকে নিয়ে। মিথিলা বাংলাদেশের নাগরিক। নিখিল জৈন সুরুচি সংঘের সদস্য কি না, সে ব্যাপারে কিছু জানাননি নুসরাতের মুখপাত্র।

সূত্র: জি নিউজ ও আনন্দবাজার

LEAVE A REPLY