কাট্টলীতে দগ্ধ ৯ জনের একজনের মৃত্যু, ৬ জনকে নেওয়া হচ্ছে ঢাকায়

0
126

চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকায় ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের ৯ জনের মধ্যে পেয়ারী বেগম (৬০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে; তিনি নোয়াখালী থেকে ছেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।

সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে রোববার (৮ নভেম্বর) রাতে উত্তর কাট্টলী এলাকার একটি চারতলা ভবনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানান আকবরশাহ থানার ওসি মো. জহির হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের নারী ও শিশুসন্তানসহ ৯ জন দগ্ধ হন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দগ্ধ মিজানুর রহমান (৪২), সাইফুল ইসলাম (১৮), সালমা জাহান (২১), সুলতানা মিন্নি (৩৫), মাহির (৮) ও মানহাকে (২) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে।

দগ্ধ বাকি দুইজন রিয়াজুল ইসলাম (২২) ও সুমাইয়াকে (১৮) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক আমির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মারা যাওয়া পেয়ারী বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধ ৬ জনকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে মিজানুরের ৪৮ শতাংশ, সাইফুলের ২২ শতাংশ, সুলতানার ২০ শতাংশ, মানহার ১৮ শতাংশ, সালমার ১২ শতাংশ ও মাহিরের ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার এনামুল হক বলেন, বাসার বিদ্যুৎ সংযোগের প্রতিটি পয়েন্ট পোড়া থাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ গ্যাসের পাইপলাইন এবং রান্নাঘরের চুলা আমরা অক্ষত আছে। বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারও নেই।

LEAVE A REPLY