নিশাদ দস্তগীরের মাতা সৈয়দা ইয়াজদানির ইন্তেকাল

0
154

দেশের বাইরে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা টিভি চ্যানেল বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে বৃটেনের বাংলা ভাষী কমিউনিটিতে ব্যাপক পরিচিত, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ নিশাদ দস্তগীর এর মাতা, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে চট্টগ্রাম অঞ্চলে নানা পর্যায়ে একজন সংগঠক হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী সৈয়দা নিলুফার ইয়াজদানি আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)

গত মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানী ঢাকার আল হেলাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি ৫ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

দিন কয়েক আগে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে খুব দ্রুতই তিনি সেরে ওঠেন এবং তিন দিন পর চিকিৎসকরা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার হঠাৎ করেই তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হয় এবং তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে দেশে বিদেশে অবস্থানরত ছেলে মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন সবাই মুষঢ়ে পড়েছেন। মায়ের কারণেই সৈয়দ নিশাদ দস্তগীর বহু বছর ধরে বাংলাদেশে সপরিবারে অবস্থান করলেও কিছুদিন আগে চিকিৎসার জন্য ব্রিটেন এসে মহামারীজনিত কারণে আটকা পড়েন।

তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরই তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি, বাংলা টিভি’র এমডি সৈয়দ সামাদুল হকসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ সহ অনেকেই ছুটে যান মরহুমার বাসায় এবং তাঁরা শোক কাতর পরিবার স্বজনদের সান্তনা দেন।

উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ শহরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের জন্ম নেন ইয়াজদানী। বৈবাহিক সূত্রে চট্টগ্রামে অবস্থানকালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের নানা পর্যায়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও ছিলো তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা। রত্নগর্ভা মহীয়সী এই নারী ব্যক্তিজীবনে তিনি ধার্মিক ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। বুধবার বাদ জোহর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর জামে মসজিদে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে বাংলা টিভি পরিবার। এছাড়া সাপ্তাহিক জনমত এবং জনমত ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকেও গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত মরহুমার ছেলে সৈয়দ নিশাদ দস্তগীর তাঁর মায়ের রুহের মাগফেরাতের জন্য সকলের কাছে দেয়া চেয়েছেন।

LEAVE A REPLY