ফের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে কাতার

0
136

সহসাই কাতারের সঙ্গে আরব দেশগুলোর তিক্ত বিরোধের অবসান হতে চলেছে।  দেশটির সঙ্গে সৌদি আরবসহ আরব অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ প্রায় তিন বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। আকাশপথ, জলপথ ও স্থলপথে অবরোধ আরোপ করে।

দৃশ্যত, সেই অবস্থার অবসান হতে চলেছে। বিভিন্ন সূত্র মতে, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তারা সবাই সমস্যা সমাধানে রাজি হয়েছেন। এখন শুধু এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষা। তারপরই কাতার আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। রয়টার্স।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনারের সৌদি আরব ও কাতার সফরের পর দৃশ্যপট দ্রুত পাল্টাতে শুরু করে। বলা হয়, কাতার সঙ্কটের সমাধান করার মিশন নিয়ে কুশনার এই সফরে এসেছিলেন। এরপর কাতারের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তির অগ্রগতির ঘোষণা দেয় কুয়েত। এরপর শুক্রবার কাতারের সঙ্গে আরব দেশগুলোর সংকট শেষের দিকে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। ইতালিতে ভ‚মধ্যসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বাৎসরিক এই বৈঠকে প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ‘গত কয়েকদিনে আমরা বেশ কিছু উলে­খযোগ্য অগ্রগতি সম্পন্ন করেছি।’

উল্লে­খ্য, ইরানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছিল কাতারকে বিচ্ছিন্ন রাখার মাধ্যমে। সৌদি আরব, সংযুুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর যখন কাতারের সঙ্গে ক‚টনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে তাদের সঙ্গে সব রকম ব্যবসা ও সফর বাতিল করে, তখন থেকেই এই সঙ্কট সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও কুয়েত।  তারই অংশ হিসেবে বুধবার দোহা’য় আলোচনায় বসেন জারেড কুশনার। তিনি বৈঠক করেন সৌদি আরবেও। এরপর ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে রোমে এক কনফারেন্সে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সাউদ বলেন, কুয়েতের অব্যাহত তৎপরতার অংশ হিসেবে গত কয়েকটি দিনে আমরা উলে­খযোগ্য অগ্রগতি করতে পেরেছি।

এতে সমর্থন থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ। আমরা আশা করি, এর ফলে চ‚ড়ান্ত একটি চুক্তি করতে পারবো আমরা এবং তা খুব তাড়াতাড়িই। আমি আরো বলতে পারি যে, আমি আশাবাদী এই বিরোধে জড়িত সব দেশের মধ্যেই আমরা একটি চূড়ান্ত চুক্তির কাছাকাছি। এসব আলোচনা সম্পর্কে জানেন ওয়াশিংটনের এক সূত্র বলেছে, সব পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছা গেছে। তা আগামী দু’এক সপ্তাহের মধ্যে স্বাক্ষরিত হতে পারে।

LEAVE A REPLY