চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন ফরওয়ার্ড বেস’র উদ্বোধন

0
37

সোমবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন ফরওয়ার্ড বেস, চট্টগ্রামের উদ্বোধন এবং ২টি বেল ৪০৭ জিএক্সআই হেলিকপ্টারের অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। চট্টগ্রামে ফরোয়ার্ড বেস স্থাপনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলে বিমান সহযোগিতা প্রদান পূর্বের চেয়ে সহজ হবে এবং এতে ব্যয় অনেক কমে আসবে। গতকাল আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী সেনাবাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং আন্তরিকতায় জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন।তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক উদ্যোগের কারনেই শাহ আমানত বিমানবন্দর, চট্টগ্রামে আর্মি এভিয়েশন ফরওয়ার্ড বেস নির্মাণ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ২টি বেল ৪০৭ জিএক্সআই হেলিকপ্টার আর্মি এভিয়েশন গ্রুপে বহরে অন্তর্ভুক্তি সম্ভব হয়েছে।এই মহতী উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।এতে বলা হয়, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য সেনাবাহিনীর আভিযানিক কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে বিমান সহায়তা প্রদান করা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে লালমনিরহাট ও চট্টগ্রামে পৃথক দুটি এভিয়েশন বেস স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ইতিমধ্যেই গত ৩ মার্চ লালমনিরহাট সেনানিবাসে আর্মি এভিয়েশন স্কুলের নবনির্মিত হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্স উদ্বোধন করা হয়েছে। আধুনিক সেনাবাহিনীর সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে আর্মি এভিয়েশনে সংযোজিত হয়েছে আধুনিক হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমান। বর্তমানে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বহরে অত্যাধুনিক বিমান ও হেলিকপ্টার সংযুক্তির ধারাবাহিকতায় যুক্ত হয়েছে ২টি অত্যাধুনিক বেল ৪০৭ জিএক্সআই হেলিকপ্টার। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ২টি হেলিকপ্টার নবীন বৈমানিকদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।এছাড়াও বিভিন্ন আভিযানিক প্রয়োজন যেমন বিমান হতে অনুসন্ধান ও পর্যবেক্ষণ এবং স্কাউট হেলিকপ্টার হিসেবেও এই হেলিকপ্টারগুলো ব্যবহার করা যাবে।পাশাপাশি এই হেলিকপ্টারগুলোর মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়তা, মিশন পরিচালনা ও সীমিত আকারে জরুরী রশদ সরবরাহ করা সম্ভব। আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২টি বেল ৪০৭ জিএক্সআই হেলিকপ্টার আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বহরে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY