করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘উঠান বৈঠক’ করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

0
182

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাব পূর্ববর্তী বাংলাদেশে দারিদ্রের নিম্ন মূখি হার ৭ শতাংশে নেমে এলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ কর্মহীন হয়ে পড়ায় দারিদ্রের হার উর্দ্ধমুখি হয়ে ৩০ শতাংশে উন্নিত হওয়ার আশংখা দেয়া দিয়েছে।

এর বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবন-জীবিকার সমন্বয়ে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখা।

তাই নিজের সুস্থতাই হলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা পুন:রুদ্ধারের পূর্বশর্ত।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে টাইগারপাসস্থ নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে  ইউএনডিপি ও ইউকে এইড’র প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ড এলাকায় দ্বিতীয় দফা সাবান বিতরণ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন একথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, নগরীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের  মাঝে করোনা সচেতনতা বাড়াতে “প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্পের ৩৭৪টি সিডিসি’র মাধ্যমে নগর জুড়ে উঠান বৈঠকের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।  প্রকল্পের সিডিসি ক্লাস্টার নেত্রীরা স্ব স্ব সিডিসি-তে বসবাসকারী জনগণকে উঠান বৈঠক আয়োজন করে করোনা প্রতিরোধে নানামুখী সচেতনতা জ্ঞান প্রদান করবেন।

তিনি সিডিসি নেত্রীবৃন্দদের স্ব স্ব ওয়ার্ডে সিডিসি-তে উঠান বৈঠক করে নগরবাসীর মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করার নির্দেশনা দিয়ে বলেন বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে সাবানের গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাস্থ্যবিধি জানা সবার জন্য যেমন জরুরী তেমনি  তা মেনে চলাও অত্যাবশ্যক।  ঘরে এবং বাইরে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধির সতর্কতাগুলো আমাদের অবশ্যই অনুসরণ ও মেনে চলতে হবে। 

তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্টির জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দরিদ্র বসতি এলাকার মানুষকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে সচেতন করার জন্য লিফলেট, পোস্টার, স্টিকার, ক্যাবল নেটওয়ার্কিং ও মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

নগরের ৩৭৪ টি হাত ধোয়ার পয়েন্টের প্রতিটিতে ৫৬ টি করে মোট ২১ হাজার সাবান বিতরণ করা হয়েছে। গত এপ্রিলে প্রথম দফায় ৪৫ হাজার সাবান বিতরণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রায় ১ লাখ নগরবাসী হাত ধোয়ার সুবিধা ভোগ করবে।

 অনুষ্ঠানে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম,  প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন খান,আউটপুটপ্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান চৌধুরী, টাউন ফেডারেশন  চেয়ারম্যান কোহিনূর আক্তারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY