চট্টগ্রামের ৩টি ও কক্সবাজারের ১টি ল্যাবের সার্টিফিকেটে মিলবে আমিরাতে প্রবেশের অনুমতি

0
656

করোনার এই মহামারিতে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সরকারই তাদের দেশে প্রবেশের পূর্বশর্ত হিসেবে যাত্রীদের জন্য করোনা ‘নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করেছে। বাংলাদেশে জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা টেস্ট কেলেঙ্কারির কারণে আমিরাত সরকার নিজেরাই বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য ২৯টি ল্যাব নির্ধারণ করে দিয়েছে, যার ৩টি ল্যাব চট্টগ্রামের, একটি ল্যাব কক্সবাজারের।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইটে বহির্গমনিচ্ছুক যাত্রীদের এসব তথ্য জানায়।

নির্ধারিত পিসিআর ল্যাব থেকে শুধুমাত্র ‘নেগেটিভ’ সার্টিফিকেটধারীরা আবুধাবি ও দুবাইগামী বিমানে ভ্রমণ করতে পারবেন। তাও যাত্রার তারিখ হতে পূর্ববর্তী তিন দিনের মধ্যকার নেগেটিভ রিপোর্টই লাগবে।

সারাদেশে ২৯ টি ল্যাবের মধ্যে ২১টি ল্যাব সরকারি, ২টি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের (যা স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট নয়) ল্যাব এবং বাকি ৫টি প্রাইভেট হাসপাতালের ল্যাব। বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৪টি ল্যাবের দুইটি সরকারি ল্যাব, একটি প্রাইভেট হাসপাতালের ল্যাব, আরেকটি শ্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের ল্যাব। সরকারি দুটি ল্যাব হলো- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাব অপরটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইইডিসিআর প্রতিষ্ঠিত ল্যাব। অপর দুটি ল্যাব হলো- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব ও ইম্পেরিয়াল হসপিটাল ল্যাব।

বিমানের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ জুলাই থেকে আবুধাবিগামী এবং ১৭ জুলাই থেকে দুবাইগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রীগণকে নির্ধারিত পরীক্ষাগার থেকে যাত্রার ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে কোভিড-১৯-এর পিসিআর টেস্ট সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।

ভ্রমণকারীদের দুবাই বিমানবন্দরে কোভিড-১৯ ভাইরাসের নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাতে হবে এবং ওই বিমানবন্দরেও করোনা পরীক্ষা করা হবে। যদি পজিটিভ হয় ১৪ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩০২ জন, আক্রান্ত প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ।

LEAVE A REPLY