বিমানের তিনগুন বেশি ভাড়ায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছেনা আমিরাত প্রবাসীরা

0
743

করোনার প্রাদুরভাবে গত ৫মাসেযে সব প্রবাসীরা দেশে আটকে পড়েছে। তাদের বাজেট রীতিমত প্রায় শেষ হয়েছে অনেক আগে। বর্তমানে তারা পুনরায় আমিরাতে কর্মস্থলে ফিরতে চায়। তবে তাদের বড় বাঁধা এখন বিমান ভাড়ার চড়া মূল্য। আর এই চড়া মূল্য পরিশোধ করতে অপারক হয়ে অনেকে দূর্চিন্তায় জীবন কাঁটছে।

সরকারের প্রধান প্রধানদের এই মুহুর্তে চিন্তা করা দরকার একজন প্রবাসীর উপর নির্ভর করে একটি পরিবার। আর কোন প্রবাসী এই মূহুর্তে দেশে থেকে প্রবাসে আসতে পারলে পরিবারটি অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখেতে পাবে। পরিবারগুলি অর্থ যোগানের জন্য বিচলিত হয়ে উঠছে । সেই সাথে এই প্রবাসীরা রাষ্ট্রের বেকারত্বের চাপও কিছুটা কমাতে সাহায্য করছে। তাই বলতে চাই। এদের দেশে কর্ম দিতে না পারলেও অন্তত পক্ষে বিমান ভাড়া তিন গুন থেকে রক্ষা করেন।

বিমান ভাড়ার পূর্বমূল্য নির্ধারণ করে কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ তৈরী করে দিন। এই সব প্রবাসীরা ঐ সেই,দুর্নীতিবাজদের চেয়ে অনেক উত্তম। তারা রাষ্ট্রের অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করবে না। তারা রেমিটেন্স পাঠায়। তারা সরকারের অর্থনৈতিক শক্তিকে জোরদার করে। সোজা কথায় বলতে গেলে তারা দেশে টাকা পাঠাবে কিন্তু দেশে র টাকা বিদেশে চালান করবেনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আবুধাবির এক সভায় বলেছেন “প্রবাসীরা সোনার মানুষ”। আপনার মতবাদকে উপেক্ষা করছে এরা করা। আপনার এই সোনার মানুষদের লৌহ মানবে পরিনত করছে কারা। আপনার আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে তারাই বা কারা। আপনি সকল দিকে নজরদারী বৃদ্ধি করুন। আপনার প্রচেস্টা আপনার উন্নয়ন কখনও বৃথা যেতে পারেনা।

LEAVE A REPLY