আমিরাতে আতাউর রহমান খান কায়সার এর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

0
69

বর্তমান সমাজে আতাউর রহমান খান কায়সারে’র মতো নেতা খুবই কম – প্রকৌশলী মোঃ আবু জাফর চৌধুরী

উপস্থিতি নেতৃবৃন্দ

২১শে অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে শারজাহ আল জুবাইর বাগান বাড়িতে আয়েজিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধার সম্পদক সংবিধান প্রণেতা আতাউর রহমান খান কায়সার এর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ দুবাই ও উত্তর আমিরাত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য প্রকৌশলী মোঃ আবু জাফর চৌধুরী এই মন্তব্য করেন।

প্রকৌশলী মোঃ আবু জাফর চৌধুরী

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বোয়ালখালি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আহম্মদ আলী জাহাঙ্গীর এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: হামিদ আলীর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা প্রকৌশলী মো: আবুজাফর চৌধুরী,এতে ভিডিও বার্তায় বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম আট আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন আহাম্মেদ,বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক এবং আতাউর রহমান খান কায়সার এর সুযোগ্য কন্যা ওয়াসিকা আয়শা খান। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন আকরামুজ্জামান খান,বিশেষ অতিথির আব্দুল আ লিম, মো:জিল্লুর রহমান,মো:সেলিম উদ্দিন চৌধুরী,মো:ইসমাই গনী চৌধুরী,এস এম নুরুল ইসলাম,আমির হোসেন,মহিউদ্দিন মহিন,আরশাদ হোসেন হিরু,মোঃ দিদার, ইঞ্জিনিয়ার শফিক,মোঃ বাহাদুর,মো:আজগর,সিরাজ-উ-দৌল্লাহ, হুমায়ন কবির,মো:জামাল চৌধুরী সহ আরো অনেক।এতে উপস্থিতি ছিলেন মোঃ মোজাহের,মোঃ ইলিয়াছ, আবুছালে,বেলায়েত হোসেন,নাজিম উদ্দিন,রোকন উদ্দিন,বাপ্পা সহ আরো অনেক।অনুষ্ঠানে সভাপতি আহাম্মেদ আলী জাহাঙ্গীর তার বক্তব্যে বলেন আতাউর রহমান খান কায়সার আমাদের জন্য একটি আদর্শের নাম।এই আদর্শবানদের ব্যক্তিদের নিয়ে আমাদের বেশী বেশি কর্মকান্ড করতে হবে।

যেন ভবিষৎ প্রজন্ম যাতে মনে রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দরা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বড় একজন ব্যতিক্রমী মানুষ ছিলেন আতাউর রহমান খান কায়সার। বাঙালি জীবনের অন্যতম শুদ্ধতম আলোকিত মানুষ ছিলেন তিনি। মূলত কায়সার ছিলেন আওয়ামী লীগের বটবৃক্ষ। তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আস্থাভাজন ছিলেন। তিনি দেখতে যেমন বিশালদেহী ছিলেন, তেমনি ছিলেন একজন বিশাল হৃদয়ের মানুষ। যে নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে ’৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি লড়েছিলেন সেই একই আদর্শ নীতিবোধ থেকে এক চুলও বিচ্যুত না হয়ে আমৃত্যু আদর্শিক রাজনীতি করে গেছেন। তাঁর মতো নির্লোভ দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ আজও সমাজে বিরল। একজন নির্মোহ,সদালাপী, নিরহংকারী, ভদ্রলোক হিসেবে তাঁর স্মৃতি সকলের মনে চির অম্লান থাকবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে আতাউর রহমান খান কায়সার মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। কায়সারের মত জ্ঞানী, সজ্জন, অভিজাত রুচির রাজনীতিবিদ হাতে গোনা। তিনি ছিলেন কবি ও শিল্প সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক। তাঁর মৃত্যুতে আমাদের জাতীয় জীবনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।

আহম্মদ আলী জাহাঙ্গীর


শেষে হাফেজ শফিক রহমান এর মোনাজাত পরিচালনার মধ্যদিয়ে আতাউর রহমান খান কায়সার এর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন সেইসাথে তার যোগ্য কন্যা ওয়াসিকা আয়শা খান,তাঁর পরিবার ও বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অব্যাহত থাকার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

LEAVE A REPLY