কষ্টের জয়ে ব্রাজিলের সাতে সাত

0
30

প্রিমিয়ার লিগ খেলোয়াড়দের না ছাড়ায় নেই প্রথম পছন্দের চার খেলোয়াড়সহ নয় জন। তবুও ব্রাজিলকে ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি চিলি। কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের দুঃখ ভুলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে জয়রথেই রয়েছে তিতের দল।

চিলির মাঠে শুক্রবার সকালে ১-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। একমাত্র গোলটি করেন দ্বিতীয়ার্ধের বদলি এভেরতন রিবেইরো।

স্তাদিও মনুমেন্তাল দাভিদ আরেয়ানোয় খেলা শুরুর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রথম আক্রমণে যায় ব্রাজিল। কর্নারের বিনিময়ে সে যাত্রায় বাঁচে চিলি।

ঘরের মাঠে পাল্টা আক্রমণে যেতে মোটেও সময় নেয়নি দলটি। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। অষ্টম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে নেইমার খুঁজে নেন ব্রুনো গিমারায়েসকে। কিন্তু তিনি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

দূরপাল্লার শটে গোলের চেষ্টা করছিল চিলি। কিন্তু সেভাবে গোলরক্ষক ওয়েভেরতনকে পরীক্ষায় ফেলতে পারছিল না তারা।

২৮তম মিনিটে প্রতি-আক্রমণে সুযোগ আসে নেইমারের সামনে। কিন্তু ফাঁকায় বল পেয়েও শট লক্ষ্যের ধারে কাছে রাখতে পারেননি তিনি। পিএসজি ফরোয়ার্ডের সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভো।

দুই মিনিট পর আর্তুরো ভিদালের বুলেট গতির ফ্রি কিক ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক। ৩৩তম মিনিট জালে বল পাঠান চিলির ইভান মোরালেস। কিন্তু তিনিই অফসাইডে থাকায় মেলেনি গোল।

৩৯তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ভিদালের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন ওয়েভেরতন।

প্রায় একই ছন্দে শুরু হয় দ্বিতীয়ার্ধ। গোলের সুযোগ তৈরি করতে ভুগছিল দুই দলই। এর মধ্যেই সুযোগ সন্ধানী রিবেইরোর নৈপুণ্যে ৬৪তম মিনিটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। নেইমারের শট গোলরক্ষক ব্রাভো ফিরিয়ে দেওয়ার পর ফিরতি শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।

মার্কিনিয়োসের শট ঠেকিয়ে চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ হতে দেননি ব্রাভো।

একের পর এক আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণের পরীক্ষা নিচ্ছিল চিলি। কিন্তু ঠাণ্ডা মাথায় সেগুলো সামলে নিয়েছেন মার্কিনিয়োস-এদের মিলিতাওরা। ৮৪তম মিনিটে বিপজ্জনকভাবে ডি-বক্সে ঢোকার মুখে কার্লোস পালাসিওসকে ফাউল করে থামান মার্কিনিয়োস। ফ্রি-কিক থেকে তেমন কিছু করতে পারেননি ভিদাল।
যোগ করা সময়ে ব্রাভোর ভুলে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন নেইমার। তবে ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় জালের দেখা পাননি তিনি।

সাত ম্যাচে টানা সাত জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। একই দিনের অন্য ম্যাচে ভেনেজুয়েলাকে ৩-১ গোলে হারানো আর্জেন্টিনা ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুই নম্বরে।

প্যারাগুয়েকে ২-০ গোলে হারানো একুয়েডরে পয়েন্ট ১২। তিনে উঠে এসেছে দলটি। ৯ পয়েন্ট করে নিয়ে পরের দুটি স্থানে আছে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়া।

LEAVE A REPLY